রেলপাখি

চাঁদের পাহাড় থেকে একমনে পাখি তুলছেন বিভূতিভূষণ । দৃশ্যটি ভারি চমৎকার । অপু দুর্গা নামের দুটি প্রজাপতি তাঁকে পথ দেখাচ্ছে । বিভূতিভূষণ হাঁটতে হাঁটতে কথা বলছেন আর তাঁর কণ্ঠে উড়ে আসছে অরণ্য

প্রজপতিরা ভাবছে ইনি মানুষ নন সম্ভবত প্রাগঐতিহাসিক যুগের বৃক্ষ । পথের বাঁক থেকে সংগ্রহ করছেন পাখি । বিভূতিভূষণ ইতিমধ্যেই আবিষ্কার কোরেছেন আয়নার রূপকথা যার কাহিনীতে রাজপুত্র নেই রাজা নেই ... শুধু রুখা সুখা প্রজাপতি , যারা নিজেদের উষ্ণ রাখতে ব্যবহার করে শ্যাওলা , নুড়ি আর জলজ উদ্ভিদ । বিভূতিভূষণের ইচ্ছে হোলো আজ পাখি নয় । আজ তিনি ক্লোরোফিল জড়ো করবেন তারপর ক্লোরোফিলের স্বাদ গন্ধ আর সবুজ ফ্রেস্কো উপহার দেবেন প্রজাপতিদের

পাখিপাঞ্জাবী গেল খসে  । কোঁচড়ে বাঁধা পড়লো ছোটো ছোটো নদী । নয়নতারায় বোনা বিষণ্ণতা । ডানায় সর্বজয়া আর কুয়াশার দ্রবণ । অচেনা রেলমেঘ ।

বিভূতিভূষণের মূল কাণ্ড আর পাতাময় এখন ক্লোরোফিলের ফিলে , তর্জনী আর মধ্যমার বৃক্ষদাগ, কোথাও কোনো দিঘি চুলের ফাঁকে অপেক্ষা, কখন ট্রেন আসবে  ...

পাঠশালা রঙের ভোর ...ক্ষিধেপাঠ ...

প্রজাপতিরা বললো এইতো নিশ্চিন্দিপুর ...






4 মন্তব্য(গুলি):

Sk Saddam Hossain বলেছেন...

খুব সুন্দর অনুভূতি

AMITAVA DAS বলেছেন...

পাখিপাঞ্জাবী গেল খসে । কোঁচড়ে বাঁধা পড়লো ছোটো ছোটো নদী । নয়নতারায় বোনা বিষণ্ণতা । ডানায় সর্বজয়া আর কুয়াশার দ্রবণ । অচেনা রেলমেঘ ।
opurbo--- mugdho ,kichu bolar nei . onek valo laga .

Bijoy ghose বলেছেন...

'রেল পাখি' অসম্ভব সুন্দর এক চিত্রময় কাব্য।
অপু দুর্গা আর চাঁদের পাহাড় মায়াজাল রচনা করে।
দারুণ লিখেছ ßoss.

ppsonali বলেছেন...

Boro mayamoy ,priyo kobi.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About