দিনান্ত

মোটের কথা বলো
জোটের কথা বলো
কার থেকে কে এই
খারাপ কতটা কম
মোটের কথা বলো
কি পাচ্ছি কি পাবো
খারাপ কতটা কম
দিনের পর এ দিনান্ত
কে কোথায় লুট হলো
কার বা কি দেশজঙ্গল
অখাদ্য একদা খাদ্য হলো
মোটের কথা এই বলছো
জেগেছি বা জাগিনি
রেগেছি বা রাগিনি
মোটের কথা হলো
দিনের পর এই দিনান্ত

মুখবন্ধ 

কিছু দিন হল একটা যুতসই মুখবন্ধ খুঁজছি
বসিয়ে দেব যত ডুবুরী অভিযানের সামনে।
যখন পাতকুঁয়োয় উঁকি মারি এই ভেবে,
দেখি অ-রক্ত নিকষ আমার মুখের সব ছবি।
তারপর আচমকা এক একটা বুদবুদ ঠেলে আসা,
নেড়ে দেয় আমার ইপ্সিত জল আয়না ।।
তুমি আমাকে কোনো অভিধায় ফেলে যেও না
জল আয়নার অপস্রিয়মান প্রত্যেক প্রতিসরাঙ্কে,
সব কৌণিক অবয়ব পৌনঃপুনিক ভাঙে গড়ে।
আমার কিছু না হয়ে ওঠার সেই হল তপ-বর্ণমালা।
তুমি তো জান বৈভব বৈগুণ্যে রাজা শ্মশানচারী,
অবোধ হন্তারক দস্যু অপরাহ্ণে ঋষি-কবি
বিনির্মান বিসৃষ্টির নাসদীয় এই সূক্ত যে মানী।।
সব কিছুর পরেও  ----
যত জৈব- নিঙ্‌ড়ান শেষ করে মেলে দিই নিজেকে,
জল ঝরানোর তারে শুকতে দিনের রোদে বাতাসে।
এক একটা করে ফুটে ওঠে তোমার সূচীশিল্প ---
উর্বীজ ছায়া, নম্র নদী, সুখ-গৃহস্থালীর স্বপ্ন।
সব বোধহীন মারণলীলা লাভক্ষতি খাতে শেষ হয়ে গিয়ে,
সুফল হিসেবে খতিয়ানে আগামীর মঙ্গলময় জের হয়ে ওঠে।
বিস্ময়ে আমি গালে হাত দিয়ে তাকিয়ে থাকি,
প্রথম আলো থেকে অদ্যাবধি শাশ্বত এই তপোধি।।
----

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About