চতুর্দশপদী

যতখানি পথ ভেঙে এসেছি তোমার কাছে আমি-
তারও চেয়ে বেশি জ্বর ইছামতী নদীর শরীরে
রাত ক্রমে রজঃস্বলা হয়ে এলে হিমে হিমে ঘামি
নক্ষত্রকন্যার চোখ নেমে আসে ঘরে ধীরে-ধীরে-
কেমনে তোমার শাড়ি পাল হয়ে রূপসায় ভাসে-
বুঝে উঠবার আগে কৈলাসের শিব পার্বতীকে
দক্ষযজ্ঞে হঠাৎ হারায় আর পৌরাণিক গাছে
কামসূত্র লিখে প্রেম হেঁটে যায় শ্মশানের দিকে-

আমাদের এইসব চেনা চিত্রকল্প ঘিরে ঘিরে
বিজারন সুখ খেলে - তাবৎ শুন্যতা চিরে চিরে
পর্বতের ঘরে তুমি জন্মান্তর প্রেম লিখে লিখে
শুয়ে থাকো দূরে কোনো প্রেইরী কী সাভানার ঘাসে
এরপরও পার্বতীর লাশ কাঁধে উন্মাদ কবিকে
ঘরে ফিরবার মন্ত্র কে শেখাবে এই মলমাসে-


কথা- কইতে গেলে



কথা -       কইতে গেলে দোষ
সাপের -   বিষাক্ত ফোঁস ফোঁস
আমার-    ঘরের সকল ফাঁক-ফোকড়ে
               পাল্টে রাখে খো'
সারা-      ঘর কাঁপিয়ে দাপিয়ে বেড়ায়
               শিংঅলা এক মোষ

তাই-      মুখ বুঁজে সই সব
পোড়ে -  দুরন্ত শৈশব
আমার -  মায়ের শাড়ির নকসিকাঁথা
              কবিতার বই সব
তবু-      ভালোবাসার আগুন জ্বেলেই
             আপোসে হই শব

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About