স্বাহা

ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকা হাবা ষোলো বছর
কপালে গেরি মাটির কস্তূরী তিলক ধেবড়ানো
পুঁতির মালা গলায় রুক্ষ লাল চুল
ফাটা ধুলোমাখা মেঠো পা
সে যে এত ভালবাসতে পারে
ভাবে নি পৃথিবী ।
সে ও মুখ নামিয়ে ফিরে গেছে ।
কখন যে ফিরে এল রাজলক্ষী হয়ে
বসুন্ধরা টের পায়েনি আঁচ ।
ডিস্কোথেকে পাঁচ তারার বারে
হীরের ঝিলিকে স্নব
হল্টারের খাঁজে চোরা টানে
ফিরে আসে রাতচোরা হাওয়া
ডেকে নেয় শিখার আগুন।
এদিকে ওদিকে দৃষ্টি
ককটেল রিমঝিম হাতে অনায়াস বিভাজিকা
ডুবে গেল অগ্নিসুখ নর।
এক দুই ছয় সাত কত মুখ
কত সুখ ঝাঁপানো ত্বরণ
ধরা দেয় না জল কন্যা
ফনায় সাপের শিহরণ
কাঁপায় তড়িতাহত ঘামে ধোয়া বিক্ষুব্ধ শরীর
মনহীন জলপরী
টোকাতেই ঝরে যাওয়া অচেনা জলের ফোঁটা
টুপ করে ঝরে অনায়াসে
গালি দিলে ?
আলেয়ার কুহকী , ছিনাল
আমি স্বাহা
আমি ফিরে আসি
আর ফের ফের ফিরে চলে যাই
অঞ্জলিতে নিয়ে যাই
দয়িতের অগ্নিরেতঃপাত
অন্য নারীসংগ থেকে সম্মোহনে টেনে আনি
ছায়ানট নেশা রাত বিপরীত রতি ভালবাসা
ভালবাসা ? সে কে জানে অগ্ন্যুৎপাত
আমি শুধু কাগজ কুড়াই
ইস্তাহারে পোস্টারে ঘরের টেবিলপত্র ভরি
সব চিহ্ন মুছে দিয়ে ফিরে গেলে ঘুঙুরের বোল
খাঁ খাঁ করা নাচ ঘরে
বাতি জ্বেলো আয়নায়
স্বাহা স্বাহা স্বাহা

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About