যশোধরা ও গৌতম

নগরের ক্ষীণ আলোটুকু বুকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে সময়
চামকিচে জাগা অন্ধকারের দিকে ! এগিয়ে যাচ্ছে গৌতম
গুণের শুদ্ধাচারে কোন যুবতী আগুন বিসর্জনের
সমাধিতে ভস্ম

বল পিতা শুদ্ধধন,এই কি তবে সৌন্দর্য স্তুতি! পুরুষ স্নেহেই নারী
জন্মের প্রাপ্তি!
যথেষ্ট দাহ্য মজুত ছিল।
রসদ ছিল উষ্ণতা বিনিময়ের , তবুও মোমের দহনে ঘাটতি
থেকে গেল ! বল মাতা গৌতমী - এত তাপ কোথায় রাখি ?

কপিলাবস্তুর সুউচ্চ প্রাচীরের দগ্ধ প্রস্তরে সময়নামায়
মহানির্বাণ লেখা---
সিদ্ধার্থ ! প্রিয়তম ! কোন কষ্ট শোক দূর করলে প্রভু ?
কল্যাণকামী ব্রতী, তবে যুবতী অন্দরমহল তোমার কোন
মার্গে শান্তি ভূমে ছাই হতে পারে বলতে পার!
বলতে পার--
কোন বেদ বাক্য রাহুল নামক সন্তানের শীষ স্পর্শে আস্থা যোগায় ?
অগ্রগতির ধ্বজা নাড়িয়ে প্রিয় মহা মানব হতে পারে মানুষ
কিন্তু মানুষ হয়ে নারীর মনে জন্ম নিতে পারে ক জন?
তোমার বোধিসত্ত্ব লাভ ঈশ্বর তুমি বটে
তবে বল ,ভরা সমুদ্রের জল না মেপে ভাসান ডুবি কোন
পুরুষের কর্ম! সে কি ইতিহাসের লোভে? ছাপ ছেড়ে যাও
চৈতন্য নবদ্বীপে .আর আমরা যশোধরা হয়ে আগুন জ্বালিয়ে রাখি/
গৌতম চিরজীবী কিংবা বিষ্ণুপ্রিয়া যৌবন নদীকূলে।
নারী হয়ে এগিয়ে যাক তাপ নির্বাণের দিকে -
"বুদ্ধং  সরনং গচ্ছামি" বলে সময় রথের চাকায় পিষ্ট হতে থাকি।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About