একাদশ দিকে যাই

কাউকে কিছু না বলে মাঝরাতে তুমি চলে গেলে
চারদিকে জল ঠাকুমার হাতে এ আমাকে ফেলে
আমার প্রথম দেখা যমে ও মানুষে টানাটানি
যেতে যে চাওনি মাগো সে তো আমি বিলক্ষণ জানি ।

পাংশুটে পীতবর্ণ পরিযায়ী শৈশবটি থেকে
ফিরেই চলেছি আজও পথে ঘাটে কতকিছু দেখে
শ্লেটে লিখে শিখিয়েছ অআকখ একদুইতিন
ক্লাশ টুতে ভর্তি হই দেখলেনা ইশকুল দিন ।

সেই অআকখরাই এখনঅনেক দলে বলে
হাজার হাজার বই পুথিপত্র তাদের দখলে
অক্ষরজমিনে আজ কত কথা কবিতা না ফলে
কতনা লোহিতনীল দীপাবলি জোনাকিরা জ্বলে ।

তোমার হাতের লেখা অক্ষরেরা মুছে গেছে কবে
শ্লেটটা হারিয়ে গেছে সেও কবে নিঃশব্দ নীরবে
শ্লেটে যত লেখা ছিল কিছু নেই শ্লেট গেছে উঠে
সেই শ্লেটে বর্ণমালা তারা হয়ে ওঠেনি কি ফুটে?

রাত থেকে দিনে গেছি একলাই দিন থেকে রাতে
পথে দুজনের দেখা তারপর হাঁটি একসাথে
যে ঘরটা গড়ে ওঠে পথ ভেঙে সেই ঘরও ভাঙে
ডাঙার আমিটা মাগো ডুবে যাই একদিন গাঙে।

চোখেই এখন নদী জলের কিনার ঘেঁষে হাঁটি
পথের দুপাশে গৃহ আর গৃহদস্যুদের ঘাঁটি
হাঁটি একাদশ দিকে তুমি নেই কাকে ফিরে খুঁজি
কোথাওতো কেউ নেই তবু খুঁজি তোমাকেই বুঝি?




0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About