ঈশ্বরের বাসভূমিতে

নপুংসক মরা বিকেলের রোদ্দুর
রাত্রির থাবার কোলে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ
করে নিরাপদে ঘর গুছায়,
এখানে ওখানে চকোলেট বেবিদের
বেহিসাবি স্লিপ আর দোলনা,
বালিয়াড়ির ওপারে
ন্যাশনাল মিউজিয়ামে ঘরখেকো
অনাবাদী বসত।
অগুন্তি মল আর ব্র্যান্ডেড চকমকিতে
এখন এপারে ঈশ্বর বাস করেন।
                     
মরুভূ

মেঘ বা বৃষ্টি ভীষন অচেনা শব্দ
লু গলা রোদ সীমানা ছাড়ানো বাড়ি,
এখানে ঠান্ডা পুণ্যিপুকুর নেই
আমি ত শুধুই দহন বিক্রি করি।

খেজুরে লুকিয়ে সাপের গুচ্ছ বাসা
ঘনঘন ন্যাড়া মাঠের রুখুতে বাজ,
ফুটিফাটা ডোবা পাতালঘরের রাস্তা
প্রাসাদ গিলেছে একশো দিনের কাজ।

জরাসন্ধের জনক কবর জুড়ে
লাখ লাখ লোভী রঙিন পিঁপড়ে হাঁটে,
মহুয়ার বিষে নাখাওয়া শরীর ঢোল
মৃতশবভোজী বৃত্ততে জিভ চাটে।

গিরগিটি বুক ফুলিয়ে অধীশ পাল্টায়
সান্ধ্যভ্রমে ভামও হয়ে যায় বাঘ,
দূরে যত আছ দূরেই নাহয় থাকো
নাহলে দহন এঁকে দেবে গায়ে দাগ।

1 মন্তব্য(গুলি):

Soumitra Chakraborty বলেছেন...

শুভেচ্ছা, ভালোবাসা প্রিয় অন্যনিষাদ কে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About