পারিজাতের খোঁজে




অপরাজেয়'র হাতে তোমাকে ছুঁয়েছি আমি বার বার। নগরে, অরণ্যে, নির্জনে।

আমার
  লবণাক্ত ঘামে  তোমার চামড়া পুড়ে যায়। দমবন্ধ ক'রে তুমি বলে যাও তুমি ভালো আছো। 

তারপর বৃষ্টি এলে শীত শীত বরফের মতো, তোমার শরীর জুড়ে এলোমেলো কচি কচি ঘাস...

পরিযায়ী পাখিদের ক্ষুধার্ত ঠোঁটে অন্ধকারে, নিঃশ্বাস ঘন হয়ে যায়।

বিজিতের লুন্ঠিত বুকে, পারিজাত খুঁজে আমি অবচেতনের ঘোরে বুঁদ হয়ে যাই।

অপরাজেয়'র চোখে তোমাকে দেখেছি আমি বার বার। নগরে অরণ্যে নির্জনে।



তারপর একদিন, তোমার শরীরে ঘিরে ক্লেদসিক্ত উজান বয়ে যায়।

উষ্ণতা খুঁজে নিয়ে পারদও বাষ্প হয়ে যায়। হাতে, পায়ে ঝিম ধরে।

পুড়ে যায় শীত শীত বরফ শিশির। পুড়ে যায় অচেতন বিনিদ্র কপাল।

কপালের দোষ নেই, প্রতিটি সকাল... প্রতিটি রাত্রি যেন অন্তর্লীন গহ্বরে

অতল অন্ধকারে ডুবে যাই, ডুবে যাই...তখনই দ্বৈপায়নে ডুবে যায় একাল, ওকাল...

পারিজাত-দেহ ঘিরে, দুই মুঠো খুলে আমি ছড়িয়ে দিলাম তাই, অপরাজেয়'র মতো,
 

কাকডাকা-ভোরে শীত-শিহরণে ভেজা কিছু 'বাসমতী চাল'

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About