প্রত্যাশা

রাত শেষে ডুবো চাঁদ ম্লান চোখে চায়
রাত শেষে ম্লান চাঁদ কান্নার ভাসানে
পৃথিবীর ধুলো মুখ মুছে দিতে চায়।
আমাদের ঘুমের সংসারে টানাটানি
 
ক্লান্তি বেঁধেছে বসত আপাদমস্তক,
কবে কোন বাসন্তী সকালে ঝড় উঠে
তছনছ করেছিল যাপনের সুখ
আজ ভুলে গেছি একদম ভুলে গেছি
  
ছুটেছি কেবল সূর্যসন্ধানী পথে।
রাত শেষে টুপ করে ডুবে যায় চাঁদ
পথের বাঁকে শুয়ে থাকা নদীটির বুকে ।
তখনো ভোরাই আলো চোখ মেলেনি
 
তখনো ঘুমিয়ে পড়া পাখিদের গান ফুটেনি
রক্তভেজা যুবকেরা শুয়েই রয়েছে শুধু পথে
 
জল কাদা রক্ত লুকোনো অশ্রুর দাগ নিয়ে
ওরা চিরায়ত জীবনের প্রান্তরে
 
ঘুমিয়ে থাকবে কতকাল জানা নেই।
কিছু ভনভনে মাছি আর উড়ন্ত শকুনি
ওদের ঘিরে মরণ - নৃত্যে মগ্ন থেকে যাবে
 
কিছুকাল,
 তারপর আর কিছু নেই,থাকেনা। 
সেই ধ্রুবপুরুষ ধ্রুবতারা চোখ মেলে তাকিয়েই থাকেন
সত্য -স্বপ্ন - কঠিন বিষাদে
অত্যুজ্জ্বল দুটি চোখে প্রত্যয়ী দিগন্তে
সূর্যপ্রভ মানুষের অন্য ভুবনের নিশ্চিত প্রত্যাশায়।
 

মেঘছায়া

প্রজাপতির ভাঙ্গা ডানার তিরতিরে কাঁপুনি দু 'চোখে,
 
এ তো নরম সকালের জলজ হাওয়ার চাহনি!
তোর ভাষা অনুচ্চারের দেয়াল না ডিঙ্গিয়েও ছিলো
কুলকুল অবিরাম স্রোতে শব্দের খেলায় উতরোল!
তমাল তরুর শ্যামলিমায় মেঘছায়া ছিলি তুই
তারপর পুড়ে পুড়ে খাক হয়ে আজ তুই আমি।



0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About