মামাবাড়ি

সময় থাকতে থাকতেই মামাবাড়ির গল্প দু একটা বলে রাখা ভালো ।
বেলা ঢলে গেলে ফিকে রঙের অ্যালবাম খুব বড় সম্পত্তি হয়ে ওঠে ।
আমার স্কুলবেলা বয়সটাকে মা দিব্যি ধরে আছে ছবিতে ।
হাফপ্যান্টের মামা ঠিক ভাইএর মত দেখতে । দিদা দাদু টুকিটুকি
খেলতে খেলতে এমন লুকিয়েছিল আমার ওই ছোট্ট বয়সী ছায়া
আব্বুলিশ বলে ছুঁতেই পারেনি ওদের । আমার ছায়া বড় হতে হতে
মামাবাড়ি ছড়িয়ে পড়ল দিকে দিকে । একজনকে ছুঁতে গেলে
আরেকজনের আশা ছাড়তে হয় । মার ইনল্যান্ড লেটার কালি
ধেবড়ে মন খারাপ লেখে । আমি পোস্ট করে আসি বাবার অজান্তে ।
একটা দুটো ঘুড়ির সুতো কড়া মাঞ্জায় জিতে নেয় টাইম মেশিন ।
এই গল্পে একটা পুকুর থাকা উচিৎ ছিল মনে হয় । চৈ চৈ হাঁস ।
বাদাম খাইয়েছিলাম ওদের । পলি আন্টির ভাই আমায় নিয়ে
গেছিল দেখাতে । মামা দেখতে গেছিল পলি আন্টিকে । হবু মামীর
ছবি নিয়ে এল বাড়িতে । এক ঢাল চুল ছাড়া কিছু মনে নেই সেই
সাদা কালো পোস্টকার্ড সাইজ ছবির । পলি আন্টি কার সাথে যেন
চলে গেল কে জানে কোন চুলোয় । মনে মনে ওকেই আজো মামী
ভাবি আমি ।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About