আর্ত পথের উপকথা

যে কারুর কথা বলতে পারতাম,
পৌঁছুতে পারতাম যে কারুর কাছে,
শুধু যদি রাস্তাটা আগন্তুক অসময়ি জলে ভিজে না থাকতো । 
কিন্তু অবাক হবার কথা !
কাল রাত্তিরে আকাশে কোন মেঘ ছিলনা;
তবে সারটা ফুতপাত জুড়ে ছড়ানো ছিল
শীতার্ত গোঙরানি ।


মনে হয় যন্ত্রণার অন্য কোন নাম নেই
রক্তের কোন অন্য রঙ নেই
অন্য কোন শব্দ নেই নৈশব্দেরও
যেমন অন্য কোন যাপন নেই জীবন আর মৃত্যুর।


জানালা খুললে নির্বাধ ভ্রমণ নেই আর,
তেমনটাই নিজস্ব আমার একান্ত ঘুলঘুলি ও চৌকাঠ,
বুকের মধ্যে এক নাগাড়ে একটা হিমবাহ
শীত, গ্রীষ্ম, শরতের তোয়াক্কা না করে  
নদীটার আত্মহনন চলছে নিরন্তর ;
নির্বিরোধ মমিতে প্রগমন হচ্ছে ভাবনা ও ভাবুকের।


এখন আর কোন বৃষ্টি হবে না বহুকাল--  
ঝাপসা হবে না দৃষ্টির দিগন্ত ;
শার্শির ওপরে ধুলোয় ফুটে উঠবে অবিন্যস্ত আঙুলের বর্ণমালা
পথ হয়ত আরও শীর্ণ হতে থাকবে প্রত্যেকটি বিশ্রামের অন্তরালে
পৌঁছানোর ইচ্ছে আর অনিচ্ছের মাঝখানে জন্ম নেবে
ভুশুণ্ডির উপকথা।  


নিঃশ্বাসে আদিমতা ছিল ও আছে ,
বলা যায় নিলম্বিত বাস্তব তা
তাই হয়ত প্রাককথনেই থেমে থাকে
প্রতিটি প্রবাহের কবিতা ।


প্রত্যন্ততঃ তার
এই প্রান্তে থাকে কোন অসমাপ্ত ব্যঞ্জনের অনুপ্রাস
আর শূন্যতার অন্য প্রান্তে স্বরবর্ণে তুমি।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About