আলোর দিশারী

আলোর পানে চল্‌, কি নাম তোর
কার্তিক,— কাকুগলায় বেশ জোর।
বাড়ি কোথায়? নদীর ওপার
বাড়িতে কে, বাবা কোথায়?
মা আর দিদি, বাবা নাই,
মারা গেছে আমি যখন খুব ছোট।
এদিক চুপ, কিছুক্ষন নিঃস্তব্ধ।
কাজ পেয়েছি সাইকেল সারার
বিনা বেতনের, দুবেলা খাবার।

যখন শিখে যাব বেতন দেবে তার মালিক,
যাক এটুকু সাত্বনা, মাকে দেবে কার্তিক।
আর বল? কি বলবো কাকু, এখানে এসেছিলাম
খেলতে একদিন, দুশো মিটার রান,
এই স্কুলে খাইয়েছিল আরবার
ঐ মাঠে খেলা ছিল, — খুব উৎসাহ তার
কার্তিক বেশ বড় হয়ে অভিজ্ঞ এখন
শ্রোতা আমি ঠিক তার মনের মতন।

দশটাকা হাতে গুঁজে বলি যা পাবি খাস
লজ্জিত সে বলে,— না কাকু, এটা থাক
তুমিইতো পৌঁছে দিলে আমায়
খাওয়ানো উচিত ছিল আমার তোমায়
না রে সোনা, তোর মাঝে দেখেছি গোপন অগ্নুৎপাত
আমার সকল গর্ব আজ জ্বলে পুড়ে খাক,
দশটি টাকা ঐ যজ্ঞের সামান্য বেলপাতা   





0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About