অন্তমিল

কে যেন বলেছিল
রাতের আকাশেই মিশে থাকে নিজের প্রতিচ্ছবি
তাই নক্ষত্রের শীর্ণ আলোয়
প্রাণপণ নিজেকে করি আবরনহীন
দুর্বোধ্য ছায়াকে বলি খোঁজ সঙ্গি
লুকোচুরি থেকে বেরিয়ে আসুক ক্রমের সকাল।

আসলেই কি দিনের আলোয় নক্ষত্ররা আড়াল খোঁজে?
বোকা কথা! আমারই ক্ষূদ্রতা, সীমাবদ্ধতা।
ভোরের শিশির মেখে আরো সজীব হই
ঘাসফুল নুয়ে চুমু খায় জলের বুক আর
বাতাস-ঢেউয়ের সঙ্গমে শুনি দ্বিধা, হলাহল নাকি
কূট কূট করে কাটা শৃঙ্গারের কৌশল!

নাহ্ সবই দুর্বোধ্য
জানালা খুলে দিলে দেখি উত্তরের পাখিরা এসেছে কবেই
অরন্যে এখন হলদে উৎসব
দুপুর কিংবা মাঝরাতে ঝরে পরা পাতাদের
একটানা সানুনাসিক সুর
শীতঘুমে চাপা পরে আছে দীর্ঘশ্বাস, ভুল।

পর্বত চুড়ায় ফারের পাতায় এখন ঘনায়িত বরফ
এখানে রোদের প্রবেশ নিষেধ
যেমন নিষেধাজ্ঞা আমার জামার নীচে কতগুলো
পোষা রাত কাটানো অবিশেষ।

বড্ড ক্ষিদে পেলে তুলে নেই বাদাম
খোলে জমে আছে তীব্র প্রেম
আমারই একান্ত উপলব্ধি-বিশ্বাস অভিগমনে কামাতুর হলে
খোলস ছাড়াতে ছাড়াতে
ভক্ষনবিদ্যা কোন কালেই আনতে পারেনি
জীবনের অন্তমিল।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About