নৈর্ব্যক্তিক লাটিম

যা কিছু আলো ভেবে ভেবে আপ্লুত হয়েছিল স্বর তা বিচ্ছুরিত রশ্মি 
নয়,পিদিম না বা কোন নক্ষত্রও ছিল না। তাই, চাঁদ উঠলেই বলাযাবে 
পথজুড়ে ইত্যকার ধুলোর রঙ কি ছিলো। 
অথচ যে ধুলোগুলো রোজ চৌকাঠ ডিঙিয়ে পায়ের সাথে ঘরে আসে, 
তাদের গায়ে মিহি অথচ মিথ্যে ছাই রঙ। বিবর্ণ কলেবরের আগে সে 
পরিচিত হয়েছিল রুপোলীর সঙ্গে। সে জোছনা রাত... 

কেবল যামিনীই জানে বুঝি গোপন জটিল যতন, কিন্নরে বাজে 
রোদনের মতো কেটে কেটে যাওয়া সুর। তখনই বুঝি রক্তিম হয় 
আঁখি, রক্তাভ পোখরাজ পাখা মেলে উড়ে যায় মৌনবিতান। সেখানে 
লিখা ছিল যত চিৎকার, মৌন গজল, সানাইয়ের সুর; মোৎজার্ট, 
বিথোফেন সিম্ফোনি ও অন্ধ গায়কের গেয়ে ওঠা আধখানা গান। 
অথচ আলো অরুণাভ হলে কারো অন্ধকার হৃদয় ঘিরে ধরা 
জলপাথরে চকমকি ঘষে দেবার কেউ নেই বলে মৃত্যুমোহ ঘিরে ধরে। 
স্বপ্নে প্রকট হয় এক কফিন। সেই মেহগনি কফিন আপাদমস্তক 
উচ্চতা মেপে যাবার সময় বলে যায়, এসো এখানে, এখানেই
সুররিয়ালিজম। 

তখন থেকেই, রূহমহলের অভ্যন্তরে এক প্রোজ্জ্বল গোলক পুরে নিয়ে 
ছুটে যাচ্ছি জ্যোতির্ময় সমুদ্রের দিকে। 


0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About