ক্লীশে : বাসিকথা

আমি তো এসব কথা বলেছি তোমাকে
বিগত সময়ে বহুবার।

তুমিও দেখেছ,
অন্ধকার হলে
শ্বাপদের পায়চারী বেড়ে ওঠে
শক্ত দাঁতে বিলক্ষণ ছিঁড়ে খায়  নির্বিকার প্রত্যঙ্গ গুলোকে
অতঃপর আলো এসে বলে দেয়
বিক্ষত মুখের কথকতা;
সাক্ষী হয়
বিধ্বস্ত শরীর আর
আড়ষ্ট  চোয়াল।


ততক্ষণে অন্ত্র যন্ত্রে  গণিতের প্রাথমিকা শেষ, রীতিবদ্ধ ক্ষরণের পর।
ততক্ষনে আপাততঃ হিসেব নিকেশ চুকিয়েছে পরিতৃপ্ত পাকস্থলী।


ঘুম কেড়ে নেবে বলে
বহু চোখ নির্ঘুম থাকে

আমাদের প্রত্যঙ্গ গুলোকে বলে দিতে হবে
ওরা অবিচ্ছেদ্দ্য।  আমরাও অন্ধকারে খাবোনা তাদের।

তবে, এর মধ্যে অন্য কোন
জোড়তোড় ও মেরামতি নেই।
প্রয়োজন শুধু, অবশিষ্ট সামান্য যাকিছু, সেইটুকু ভালবেসে  সারিয়ে তোলার।

তবে আকসার
এসব সরল চিত্র
অবলীলাক্রমে
সংকলিত হয়ে যায় স্বাভাবিক শোরগোলে। অবকলনেরও কিছু কথা ওঠে;
অনুভূত কম্পনের অভিমাত্রা ছাড়া
সিংহভাগ তার
অলক্ষ্যেই নিত্যকার ছন্দে মিশে যায়।


3 মন্তব্য(গুলি):

Probuddha Parashar বলেছেন...

আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল অন্যনিষাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে। দীর্ঘজীবী হোক কবি, কবিতা।কবিতায় স্পন্দিত সকল প্রাণের কাছে ঋণী রইলাম।

Probuddha Parashar বলেছেন...

আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল অন্যনিষাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে। দীর্ঘজীবী হোক কবি, কবিতা।কবিতায় স্পন্দিত সকল প্রাণের কাছে ঋণী রইলাম।

Probuddha Parashar বলেছেন...

আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল অন্যনিষাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে। দীর্ঘজীবী হোক কবি, কবিতা।কবিতায় স্পন্দিত সকল প্রাণের কাছে ঋণী রইলাম।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About