আয়োতি অনুক্তি

              
ভালোবাসা পেয়ে না পেয়ে;বৈধ জীবনের নামে
কেটে যাওয়া অনেক বছর আরো অনেক পর...
নারীদের বাঁচতে হয় এভাবে,প্রেমহীন অন্ধ শিকল-বন্দী সময়ে।
তারপর অভ্যাসবশত; দাসত্ব এলিয়ে যায় কাম,
প্রেম নামে আখ্যা দেয়া মাটির পাত্রের সঞ্চয়।
তাতে যে কটা আধুলী সিকি জমা থাকে;কুমারীচ্ছেদের ক্ষ থেকে...
মেয়াদোত্তির্ণ যৌবন গুনে,স্মৃতির নাড়াচাড়ার বিষয়।

আদৌতে প্রতিটি নারীই পুড়ে স্বআগুনে, মধ্যসত্তে নাম কুড়ায়-
কাপুরুষ; না-পুরুষ আর নামপুরুষ।
নাব্যতাপ্রেমীরা; কতিপয়ই  খেয়াল রাখেন- নদীর খাল খননে,
অথচ আগ্রহ দেখান বেশ- তীর্থযাত্রায়,
জলে জলময়ী- গঙ্গা স্নানের।
তেষ্টায় ছুটেন; নদীর ঋষী- ভাণের মুনি।

নদীকে চেনার আগেই চিনেছিল যারা নর্দমাকে,
ক্লেদোজলে ডুবিয়েছিলে; যাদের প্রথম পা,
সরলা নদীর তরতরে স্রোতেও; খোঁজেন তারা- এঁদো কাদার ঘ্রাণ,
অভ্যাসের বশে।

শুধু একবার চুম্বনের আকাঙ্ক্ষায়; এগিয়ে যেয়ে বহুদূর...
বহুদিন... বহু বছর অপেক্ষায় থেকে; তীব্র টনটনে 
মাংসপেশীর উত্থান যখন
ভার নামায়; তৃপ্তির জলে,
তখন তাকেই সবাই শুভ-বিবাহ বলে। 


0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About