অনাহূত
  
এক ফেরিওলা এসেছিল রাস্তার বাঁকে
একাকী, মাথায় ঝাঁকি
কবিতার বই, কবিতার খাতা, নির্জন।

ডেকে গেছে ----কবিতা চাই গো---বলে।

কি হবে কবিতা এ্যাত? এ্যাত বই খাতা?
আমার চাইনে কিছু।

বলেনি সে একটা কথাও।

তাকিয়েছে সকরুণ চোখের তারায়
পাতার আড়ালে যেন লুকিয়ে আহত পাখি
ডেকেছে কোথাও।

ফিরে আসি ঘরে
দেখি থরে থরে
ফুটে আছে ভু'ল।

ফুলে ফুলে কবিতারা হাসে
আকাশের তারা হয়ে
কবিতারা রয়েছে তাকিয়ে,
গাছের পাতায় শুধু কবিতার ছায়া
পাখি সেও কথা বলে কবিতার মত
বাতাসে কবিতা কেঁদে ওঠে।
জলে স্থির ---ঢেউ,
অতি মৃদু শ্বাস ফেলে তিরতির
ঘাসের ডগায় যেন কেউ!

ছুটে যাই সিংহ দুয়ারে---
কোথায় কবিতাওলা-----?
এ্যাত কেন ছড়িয়েছো কবিতার পাতা?
সাগর পাহাড় আর
অরণ্য একসাথে নুইয়েছে মাথা কেন!
ধরে আছে কি ভীষণ নম্রতা!

দেখি কেউ নেই-----
ঝাঁকিটি নামানো আছে কবিতার ভীড়ে।

লিখে রেখে গেছে চিরকুট--

সমস্ত কাব্য শুধু তোমার তরেই---

আবার আসবো ফিরে জন্মান্তরে

তখন আমায় কিছু কবিতা শুনিও।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About