সুদূরের চিঠি

জমাটি আসর ছেড়ে সটান দাঁড়িয়ে বলো-'যাই'
তোমার আর ফেরা হবে না। এভাবে যারা যায় তাদের ফেরা হয় না।

ঘাসের বুকে শিশিরকণায় ফোঁটা ফোঁটা জমা সব ভালবাসা
খর-রোদ হয়ে শুষে নিয়েও বললে যখন
'
আমাকেতো তুমি কিছুই দাওনি'
সেদিনই আমি বুঝে নিলেম
ইন্দ্রনীলের অঙ্গুরীয়ে মন ভরেনি
শত চাঁদের ফসল তুলে যত্নে গোছানো শস্যভাঁড়ার তোমারতো নয়
একশ একটা গোলাপ কুঁড়িতেও কাটবেনা এই দৈন্যদশা।

স্রোতের ধারায় ভাসিয়ে দিলেম পাপড়িগুলো
সুরগুলো সব আকাশের নীলে ছড়িয়ে দিলেম।

আমাকেও আর কখনও খোঁজোনা
আমিওযে নেই
সাঁঝবাতি জ্বালা গৃহকোণে আর
ভবঘুরে মন আনন্দ খোঁজে এই শহরের অলিতে গলিতে
শহরের এই হাজার ভীড়ে নিজের ঘরটি অকারণে খোঁজা।

নীচে বয়ে চলে আগুনের নদী
 অগ্নিময়ী-নির্ঝরিণী
বলাকা ডানায় ভেসে ভেসে যাই
সুদূর পাঠালো তার চিঠিখানি।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About