রূপকথা

পঁচিশ বছর আগের একটি গ্রাম
এ গ্রামেই ছিল সেদিনের রূপকথা
পারিজাত বন তার গায়ে এক নদী
  মার কথাকলি বাবার মাধবীলতা

দুষ্টু দুপুর কিতকিত লুকোচুরি
কোচড়ে লুকানো বুনোকুল মগডাল
জ্যোৎস্নার গায়ে আগাডুম বাগাডুম
গল্পের ঘোরে পেরোয় কিশোরীকাল।

প্রজাপতি ওড়ে মম চিত্তের দেশে
পাপড়ির চোখে লাল গোলাপের আভা
চাঁদের কলমে কবিতার ম্যাগাজিন
ফুটফুটে তারা, প্রমাদ গুনল বাবা ।

ওঠ্ওঠ্ ছুঁড়ি ঐ দ্যাখ সাদা ঘোড়া
পেড়িয়ে আসছে তেপান্তরের মাঠ
জোনাকির টিপ পলাশ ছোপানো শাড়ী
বর কিনে দেবে সুখ-সংসার-পাঠ।

আকাশ ফোঁপানো বৃষ্টিরা অভিমানী
মেঘেদের গায়ে মেলে দিল এলোচুল
দিস্তা কাগজে বিষাদের কালি ঢেলে
জীবনের পাতা ফোটালো কাগজ ফুল।

ভাঙা সংসার অঙ্গার জ্বলা বুক
কবিতার জলে ফুটে ওঠে কত চাঁদ
শিল্পীর তুলি রূপকথা ক্যানভাসে
কত কাঙালের চুমুর রূপোলি ফাঁদ।।

মোহর

বুড়ো বটের বুকে কবিতা লিখতে গিয়ে
সহসাই খুঁজে পেয়ে যাই
চল্লিশ দশকের এক পুরানো মোহর
যার জ্বলজ্বলে চোখ 
যার শ্মশ্রুচর্চিত গুল্ম ভেদ করে
 বুদ্ধিদীপ্ত স্মিত হাসির রামধনু
 যার  আনাচেকানাচে শব্দের রং
 শেষ বিকেলের আলোয় ঝিলমিল
ঝলমলে ময়ুরাক্ষীর মত !
পাতাগুলো কৃষ্ণচূড়া ফাগুন পিয়াসী
দখিন হাওয়ায় ঝিরঝির কবি বিষয়ক গল্প নিয়ে
 গুঁড়ি নেমেছে মাটিতে
নজর এড়ায়নি কিছুই
গণিতের  আলোচনা শেষে দেখে নেব
সূত্র কোথায়?
কবিতা না উপন্যাস  !


কোনটা সাবলীল তোমাতে জানি না কিছুই ।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About