লীলাবতী

কবিতা লিখতে গিয়ে নিজেকে লিখি।
মন্দির আঁকতে গিয়ে জল আঁকি।

কতটা অন্ধকার থাকে আড়লে-আবডালে?
জানি। আমি জানি কিছু কিছু অন্ধকার হিরণ্ময়।
কিংবা আলোরও অধিক...

একটা নদী।একটা আকাশ।একটা হৃদয়।
কোনও উপমা ছাড়াই এসব চেয়েছিল সে।

এখন ঈশ্বরী আঁকতে গিয়ে তোকে এঁকে ফেলি।
নদীর মতো।আকাশের মতো।মেঘের মতো।
তুই এক অনন্ত আলো।আকাশের সব শেষ তারা যেমন।

নিজেকে অনুবাদের চেষ্টায় আছি।যেমন ছিলেন তিনি।

তুই সেই রাইকিশোরী।
আমার নাই বা থাকলো মোহনবাঁশি তমালতরু।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About