অযথা শব্দের দিকে যাই

অযথা শব্দের দিকে যাই,
কাছেই যে আগুন ছিলো সেকথা মানিনা,
কেবল শূন্যে ডালে ফলে থাকা জল আঙুলফলকে টোয়াই,
কেবলই শূন্য থেকে লাফ দিই,
টের পেতে পেতে ভাঙচুর
সহসা শূন্যকে পোড়াই,
দোলনাটা দোলে, খুব দূর থেকে সমুদ্রও ডাকে,
তোর আমার অথৈ সংসার জন্মের খোঁজে
শিলালিপি লেখে, পাশে বসে ভাত বেড়ে দিই
কোন এক অলৌকিক দুপুরে, চড়ুইডানায়
থিরথির কাঁপে সময় যখন, নাকছাবি খুলে রেখে স্নানে যাই নুনবালি মেখে,
আমাকে ঘিরেই থাকে সফেদঝিনুক,
ঘুমভাঙানির খুচরোপকেট অন্ধকার হয়ে আসা সেতুর চাওয়াকে
লিপির দোহাই দেয়, বলে বর্ণ নেই, চাওয়া নেই, জানা নেই দোভাষী কোথায়!

তুই স্বপ্নের প্রবণতা,
বর্ষায় ভিজে নীল গাঢ় ওই শার্টের বোতাম,
অগোছালো চুল,
কাল যখন বৃষ্টিতে ভিজছিলি, বলেছিলি,
আমাকে তোর মনে পড়ে, খুব মনে পড়ে,
যতটা জ্যোৎস্না হলে নিভে যায় চাঁদের শতক,
ততটা পাড়ি দেব তোকে,
ভেতরঘরে আষাঢ় গজরায়, ঘননীল গজরাতে থাকে,
"হৃৎকমলের রাঙা রেণু" উছলিয়ে ওঠে,
জ্বরের ওপর খুব ভিজে বর্ষার চোখে,
মেঘের পেখম ব্যক্তিগত,
ঢেউয়ে ঢেউয়ে সাজানো স্তবক,
জলবালিকার কাছে আকাশ যেমন আঁকা,
খালি শিশি ঘুমবিহীন এই মুঠোর আদরে,
তোকে স্বপ্নে বেসে দেখি,
অনামিকা রয়েছে ওই দোভাষীর দিকে !

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About