২২ শে শ্রাবণ
                           
ফুল কুড়োও, যত ফুল ঝরে গেছে বনে
তুমি সব কুড়িয়ে আনো
দুঃখের বারান্দায় বৃষ্টি ভেসে গেছে
পেখম ভিজিয়েছে ময়ূর
সব নিবেদন ফিরিয়ে দিয়েছ
আকাশ তোলপাড় করে চলে গেছে ঝড়ে
কার পূজায় তুমি যাবে যাও
সকাল হয়েছে জেগেছে পাখিরাও
মৃত আবেগের সূর্য উঠুক এবার
নৌকা ভাসাতে আমি যাব নাকো আর
ঘাসে ঘাসে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস
ইতিহাসে স্তব্ধতার নীরব কারুকাজ 

রবীন্দ্রনাথকে দেখি

আধ্যাত্মিক প্রশ্রয়ের মতো কোনো কোনো রাত আসে
যে রাতে রবীন্দ্রনাথকে দেখি
আলোর বলয় হয়ে চারিপাশ ঘিরে ঘিরে হাসে

ক্ষুৎপিপাসায় ডুবে থাকা এ জীবন ধুলো ও কাদায় মাখামাখি
অশ্রু ও বেদনার কলঙ্কে ভেজা
তবু এক লুকোনো ডানায় উড়তে থাকে অলৌকিক পাখি

এপারে ওপারে সাঁকো , মাঝে কাল প্রবাহের নদী
বয়ে চলে দীর্ঘ পথ
দুইপাশে জীবনের ঢল, নশ্বর মায়ায় খেলে রতি

বোঝালেন রবীন্দ্রনাথ, এখানেই তাঁহার ঘরের চাবি
মগ্নচৈতন্যের আঁধারে ডুবে আছে
অথবা সোনার তরী ভাসে, তরীতে আমাদের পার হওয়ার দাবি.

সীমানা যতই আঁকা , অসীমের হাতছানি বাজে
অমরতার সুতো টেনে টেনে
জীবনকেই মেলে দিচ্ছি রোজ রোজ মানব সমাজে




1 মন্তব্য(গুলি):

Soumitra Chakraborty বলেছেন...

অনুপম প্রকাশ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About