বাইশে শ্রাবণ

নদী বহে চলে বিপদসীমানা ছাড়িয়ে;
লক্ষণরেখা চিনতে শেখেনি প্লাবন।
তুমিও কোথাও আঁকোনি জ্ঞানের সীমানা,
তোমাকে কীভাবে বাঁধবে বাইশে শ্রাবণ?

তোমার পঙক্তি মুছতে চাইছে কারা ঐ?
প্রতিবাদে নদী হয়ে ওঠে আরও বন্য।
মহাপ্রলয়ের মাঝেই তরণী ভাসছে;
জ্বলে উঠছে সে অক্ষর ভয়শূন্য।

হাসনরাজার নৌকা ভেসেছে বন্যায়।
সেই নৌকায় রয়েছেন সব ঈশ্বর।
ভাষা কেড়ে নিতে চাইছে সে কোন অস্ত্র?
তোমার পঙক্তি করে দিক তাকে ভস্ম!

লালনের সুর মিশেছে তোমার গীতিতে;
সিম্ফনি-রাগ দেশ-কাল ভেদ করছে।
বন্যার মত ভাসিয়ে নিচ্ছে চরাচর।
কবিতায় লেখা সীমানা ভাঙার ইচ্ছে।

তোমার আখর আজো যে পরম আশ্রয়;
কেড়ে নিতে এলে ছেড়ে দেবো না তো আমি!
সব নদীবাঁধ ভেঙে যাবে শেষ প্রহরে।
জেগো না একাকী ওগো অন্তরযামী!   

1 মন্তব্য(গুলি):

Soumitra Chakraborty বলেছেন...

অনন্য

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

About