সপ্তম বর্ষ ৬ষ্ঠ সংখ্যা২৯ নভেম্বর ২০১৭

এই সংখ্যার লেখকসূচি - বিদিশা সরকার, শর্মিষ্ঠা ঘোষ, কচি রেজা, ফারহানা খানম, শ্যামলী বন্দ্যোপাধ্যায়, পিয়ালি বসু, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, প্রণব বসু রায়, শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, চয়ন ভৌমিক, অনিমেষ সিংহ, কৌশিক চক্রবর্তী, পিনাকী দত্তগুপ্ত, রোশনি ইসলাম, রিয়া চক্রবর্তী, উদয় চক্রবর্তী, মধু ভট্টাচার্য, বিবেকানন্দ দাস, বচন নকরেক, সঙ্ঘমিত্রা রায়, নিবেদিতা পুণ্যি ও অরূপ কুমার পাল ।
           
        সূচিপত্রে লেখকের নামে ক্লিক করে পড়ুন

বিদিশা সরকার



স্বাধীনতা আসলে

স্বাধীনতা একটা খেলা ---
স্বাধীনতা একটা বিকল্প স্বাদের গণিকাবৃত্তি
 কুশপুত্তলিকা আর শহিদবেদীর অর্থ যেদিন এক হয়ে গেল,
এক হয়ে গেলো খেলার মাঠ
 রিক্রিয়েশন ক্লাব --
সিলেবাসের মধ্যে ঢুকে পড়লো ঐতিহাসিক মতবাদ


ছাত্ররা আজও জাবর কাটছে
 পরীক্ষার খাতায় বমি করবে
 স্বায়ত্তশাসনের মরফিন

আমি বা মিমো এভাবে চাইনি কোনও ইচ্ছেপূরণের
 আধা সামরিক কেতা
 পতাকা উত্তোলনের জন গন ......
একটা মাঠকে নিয়ে ঝগড়া করেছি
 রামধনু এঁকেছি শেষ রোদ্দুরের মেঘলায়
 ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি ..ল্লা...
 আর অলকাপুরীর চিক্সরিয়ে
 বিরহী কান্তাকে চেতকের পিঠে চড়িয়ে হুঁশিয়ারি

স্বাধীনতা আসলে গণধর্ষণ
 অনাথ আশ্রম
 শিক্ষকের চশমা ভেঙে দেওয়ার স্পর্ধা

শর্মিষ্ঠা ঘোষ



তারা জন্ম

অবশেষে না জন্মানো সেই যে শিশুটি
যার সাথে তারা জন্মে দেখা হবে কথা
ঘুমঘোরে সে আমার কোলে বসে থাকে
পিঠে বেঁধে তাকে আমি সংসার টানি
শিশু থেকে সে কখনো বাড়ে নি চোখে
ছোট ছোট হাত দিয়ে জড়িয়েছে গলা
কাঁধে তার মাথা রাখা ঘুমোনো সরল
বুকে করে তাকে আমি সুখ সার চিনি
সে আমার অনুতাপ সে আমার শোক
ক্ষণিকের চন্ড রাগ সিদ্ধান্তের গোল
ছোঁবার উপায় নেই যাবে না ফেরানো
বুকে সে শেকড় গাড়ে স্মৃতিতে জারিত
তার সাথে খেলাধুলা তার জন্য ঘর
শীত আসে বরষাও গভীর কন্দর
তারা জন্ম কতদূর এই জন্ম পার
যোগের সূচনা হোক প্রিয়তা সবার

কচি রেজা



ভুলের এমন দেবতা স্বভাব

নাড়িপোতা গ্রামটা খুঁজে পাওয়ার আগে কেউ আমার 
 মুখাগ্নি করনা 
সেখানে একটি অদ্ভূত শিশুর কান্না শুনতে পাই 
আমারও তখন মনে পড়ে মৃত্যুর মাকে 
শ্মশান পাড়ায় কে বন্ধক রেখেছে আমার মুখ
আমিতো ভীমরুলের মত আটকে থাকি শবের চোখে
শুনি চিতার মিথ্যা চিৎকার
তোমরা কি আতুর ঘর থেকে আসা একটা শিশুর কান্না শুনতে পাও
যে কান্না আমি নিজেই হারিয়ে ফেলে চিৎকার করে উঠি
জানি অপরাধ এই পোড়া জীবনের
আমি তাই আগেই দীর্ঘশ্বাস পুড়িয়ে ফেলতে চাইনা বরং
শ্মশানের পাশাপাশি তোমাদের অবহেলা শিখি
জানি, তোমাদেরও মুখ নেই তবু জন্মের চিহ্নে যেখানে নাড়ি পোতা
সেখান একটি শিশুর কান্না শুনতে পাই