ইন্দ্রনীল সুমন

 দিবাস্বপ্ন ও আপেক্ষিকতা


ঔচিত্যের আপেক্ষিকতা নিয়ে ভাবতে ভাবতে 

বেড়ালটা সেঁধিয়ে গেল লাল মেঝের দেমাকি ঘরে

এখন দুধের বাটি নিজেকে কতক্ষণ কুমারী রাখতে পারবে তা শ্রয়ডিংগারবাবুর মাথাব্যথা,

আমি বরং সাঁপটে ধরি ভাস্কর চক্রবর্তীর নিজস্ব যাপন|

শহর কলকাতায় বাঁশিতে ময়লাগাড়ির ছবি আঁকা হয়

পাহাড়তলির চা-বাগানে বাঁশি আসে মেঘলা দুপুরে, ধুসর ঘুঘুর ঘুমঘুম ডাকে

ঠিক তখনই তুঙ্গে ওঠে মৈথুনগীত, এমনকি শহরেও!

এমনকি শহরেও কখনোসখনো ধর্মঘট হয়

এমনকি চা-বাগানেও দু-চারদিন হরতাল আসে

শহরে মার্ক্সসাহেব আসেন কোট প্যান্টলুনে সাহেবীকেতায়,

চা বাগানে সেই তিনিই কান থেকে নামিয়ে আনেন চুট্টা

অবলীলায়,

আগুন ধরিয়ে দীর্ঘ সুখটান, তারপর

ধিধিগা ধিতাং ধিধিগা ধিতাং

এসব দিবাস্বপ্ন অহরহ সত্যি হয়ে চলে|

যা কিছু সংবিধানে ওঠেনি এখনও

তাকে আমরা ভালোবেসে দিবাস্বপ্ন বলে ডাকি

ঘুঘুটাও ডাকে, ঘুমভেঙে...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন