সজল কুমার মাইতি

 হেরেছে করোনা


কৃষ্ণ চূড়ার রং এতো লাল এতো সতেজ

আগে কখনও দেখিনি এমন, হয়তো দেখার চোখ ছিল না l

পাপড়ি গুলো ছড়িয়ে আছে পড়ে পাশে ছাদের পরে

মখমলের চাদর গায়ে রয়েছে জড়িয়ে , খুলতে মানা সবার l

রাতের আকাশে এতো স্নিগ্ধ চাঁদ দেখিনি তো বহু দিন

দেখার চোখ হয়তো ছিলই না, হয়তো দেখার কথা ভাবিনি কোন দিন!

রাতের অন্ধকারে রাস্তার মাঝেই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে কুকুর

নেই কোন তাড়া , নেই কোনো মৃত্যু ভয় l

সকালের ভোরে শাকওয়ালাটার কর্কশ স্বরে নিস্তব্ধতা যেন খান খান

কোলাহল হারিয়ে গেছে, জীবন দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যু দ্বারে তার l

মেপে মেপে কথা, ইঙ্গিতে দূরত্ব বজায় রাখা

আপন পর নেই ভেদাভেদ, সম্পর্ক টুকু বজায় শুধু দূরভাষে l

পুজোর ফুল নেই প্রয়োজন, মন্ত্র গেছে ভুলে

. একঘেয়েমির আহার নিদ্রা, মৃত্যু হিসেব শেষে l

ওই মেয়েটা অষ্টাদশী দুধের ক্রেটে বাড়ি বাড়ি

বেলার বেলায় ফলের ঝুড়ি, সন্ধে শেষে বাড়ি ফেরার চিন্তা কিসে?

বাবা মা জ্বরার ভারে শয্যাশায়ী

দিনের শেষে অন্ন যোগায়, নেই নিজের শেষে l

রাতের শেষে ভাবনা কিসের

ভোর সকালে মিলবে হিসেব চালের সঙ্গে ডালের?

চাঁদের আলোয় ফিরছে যখন নিজ নীড়ে

পাড়ার লোকে আছে সবাই বাবা মায়ের দেহ ঘিরে l

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন